২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে-কোরবানির ফজিলত
২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে এই কথা লিখে যারা গুগলে সার্চ করছেন তাদের জন্যই আজকে আমার এই লেখা। আজকের আমার এই আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনারা ২০২৬ সালের কত তারিখে কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হবে ও কুরবানীর ফজিলত সহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
কুরবানি ঈদ কখন অনুষ্ঠিত হবে তা জানাটা জরুরী কেননা কোরবানি ঈদের জন্য কোরবানি কেনার পূর্ব প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। চলুন তাহলে ২০২৬ সালের কত তারিখে কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
পোস্ট সূচীপত্রঃ ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
- ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
- ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদের ছুটি কবে থেকে
- কোরবানি ঈদ কি?
- অন্যান্য দেশের কোরবানি ঈদ ২০২৬
- কোরবানির ফজিলত সম্পর্কে জানুন
- কোরবানির কাদের উপর ওয়াজিব
- কোন ধরনের পশু কোরবানি করা যায়
- হজ ও কোরবানির সম্পর্ক
- FAQ: বহু জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথাঃ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে এই প্রশ্নটি প্রায় প্রত্যেকটি মুসলমানদের মনে জাগ্রত হয় ঈদের বেশ কিছুদিন আগে থেকে। কেননা কুরবানীর ঈদকে কেন্দ্র করে অনেক কিছু প্রস্তুতি প্রয়োজন আছে। মুসলমানদের বছরে দুটি পবিত্রতম ও আনন্দঘন মুহূর্ত আসে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালনের মধ্য দিয়ে। রমজান মাসে এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানেরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ও উৎসব মুখর ভাবে ঈদুল ফিতর পালন করে থাকে।
ঈদুল ফিতর পালনের ঠিক দুই মাস দশ দিন পর আসে মুসলমানদের ত্যাগ ও মহিমার প্রতীক ও অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। কোরবানি বা ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হয় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে। ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মে বুধবার। যেহেতু আরবি মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল তাই ২/১ দিন কম বেশি হতে পারে। কোরবানির ঈদ বা ঈদ উল আযহা ২০২৬ সালের কত তারিখে অনুষ্ঠিত হবে এটা জানা জরুরী
কেননা এর সাথে যুক্ত থাকে বিভিন্ন প্রস্তুতি। কোরবানির ঈদে যেহেতু পশু কুরবানী করা হয় তাই আগে থেকে কোরবানি ঈদের তারিখটা জানা থাকলে পশু দেখে শুনে ভালোভাবে ক্রয় করা যায়। তাছাড়া অনেকে কুরবানী ঈদ উপলক্ষে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন তাদের জন্য তারিখটা জানা থাকলে সুবিধা হয়ে থাকে। অনেকে আছেন চাকুরীজীবী ফলে তারা ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজনদের সাথে ঈদ আনন্দ কাটানোর জন্য ঈদের তারিখটা আগে থেকে জানার জন্য সার্চ করে থাকেন।
তাই কোরবানির ঈদ ২০২৬ সালে কত তারিখে এটা যদি আগে থেকে জানা থাকে তাহলে কুরবানী ঈদের প্রস্তুতি ও আনন্দ অনেক সহজ, সুন্দর হয়ে থাকবে। আপনাদের ঈদকে আরো আনন্দময় সহজ ও সুন্দর করে তোলার জন্যই আজকের এ আর্টিকেলে ২০২৬ সালের কুরবানী ঈদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আপনারা ধৈর্য ধরে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আশা করছি উপকৃত হবেন।
আরও পড়ুনঃ আরবি ১২ মাসের নাম ক্যালেন্ডার ২০২৬- আরবি ইংরেজি ক্যালেন্ডার ২০২৬
২০২৬ সালের কোরবানির ঈদের ছুটি কবে থেকে
২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে এ সম্পর্কে আলোচনায় এখন আলোচনা করব ২০২৬ সালের কোরবানি ঈদের ছুটি কবে থেকে তা নিয়ে। যারা চাকরি করেন তাদের ক্ষেত্রে কুরবানী ঈদের ছুটি কবে এ বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেননা তাদের ছুটির সাথে সম্পর্কযুক্ত রয়েছে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ঈদের আনন্দট কাটানোর বিষয়। যদি ঈদের ছুটি বেশিদিন হয় তাহলে আনন্দের পরিকল্পনাটা আরো বেশি হয়।
পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনাও নেওয়া যায়। ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদের
ছুটি সম্ভবত ২৫ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। কুরবানী ঈদের
ছুটির সাথে সম্পর্কযুক্ত রয়েছেন কোরবানির জন্য পশু ক্রয় করা পরিবার-পরিজনদের
সাথে কেনাকাটা ও পরিবার পরিজনদের সাথে ভ্রমণের পরিকল্পনা। তাই আগে থেকে কুরবানী
ঈদের ছুটি জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।
কোরবানি ঈদ কি?
কোরবানি ঈদ বা ঈদুল আযহা হল মুসলমানদের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। কুরবানী ঈদের দিন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিভিন্ন হালাল পশু কুরবানী করা হয়। কোরবানি ঈদের দিন পশু কুরবানী করা ওয়াজিব। কোরবানি ঈদের পেছনে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা রয়েছে। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহর নির্দেশে তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানী করতে জান।
কিন্তু আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে হযরত ইসমাইল (আ) কোরবানি না হয়ে একটি দুম্বা কোরবানি হয়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ) এর আত্মত্যাগ ও আল্লাহর ভীতির এ মহিমা স্মরণ করে প্রতিবছর ১০ জিলহজ্জ কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা পালন করা হয়। ঈদুল আযহার দিন প্রতিটি সমর্থ্যবান ধর্ম প্রাণ মুসলমানগণ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ও আত্মত্যাগের উদাহরণস্বরূপ বিভিন্ন হালাল পশু কোরবানি করে থাকেন।
অন্যান্য দেশের কোরবানি ঈদ ২০২৬
অন্যান্য দেশের কুরবানির ঈদ ২০২৬ সম্পর্কে যারা জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এখন এই লেখা।চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একদিন কম-বেশি করে কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেমন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত এ বাংলাদেশের একদিন আগে কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে ।
আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে তারপরের দিন কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এছাড়াও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতেও মধ্যপ্রাচর দেশগুলোর সাথে সাথে একই দিনে কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। নিম্নে কয়েকটি দেশের ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহার সম্ভাব্য তারিখ দেওয়া হলোঃ
- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত এর সম্ভাব্য কোরবানির ঈদঃ ২৬ মে মঙ্গলবার।
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এর সম্ভাব্য কোরবানির ঈদঃ ২৭ মে বুধবার।
- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এর সম্ভাব্য কোরবানির ঈদঃ ২৬ মে মঙ্গলবার।
- যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এর সম্ভাব্য কোরবানির ঈদঃ ২৬ মে মঙ্গলবার।
কোরবানির ফজিলত সম্পর্কে জানুন
কোরবানি যে কতটা ফজিলতপূর্ণ তা বর্ণনা করে শেষ করা যাবেনা। আল্লাহর নৈকট্য লাভের যেসব আমল রয়েছে তার মধ্যে কোরবানি অন্যতম। কোরবানি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি বিধান। কোরবানির শুধু পশু জবাই করা নয় এটি ত্যাগের একটি শিক্ষা। কোরবানি শুধু উম্মতের সাথে সীমাবদ্ধ নয় এটি সকল নবী রাসূলগণের শরীয়তে ও ছিল।
সামর্থ্যবান প্রত্যক নরনারীর উপর কুরবানী ওয়াজিব করা হয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) বলেছেন, "কোরবানির দিন আদম সন্তানদের কোন আমল আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহের চেয়ে বেশি প্রিয় নয়।" কোরবানির মাধ্যমে বান্দার আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য আত্মত্যাগ ও গরিবের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ পায়। রসূল(সাঃ) ছিলেন অধিক নামাজ আদায়কারী ও অধিক কোরবানি দাতা।
হযরত ওমর রাঃ বলেছেন "রসূল(সাঃ) দশ বছর মদিনার অবস্থানকালে কুরবানী করেছেন।" সকল মুসলিমগণ কোরবানির বিধান এর ব্যাপারে একমত এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। রসূল (সাঃ) বলেছেন "সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানী করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।" কুরবানী জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে।
এ ব্যাপারে রসূল সাঃ বলেছেন "যে ব্যক্তি খুশি মনে ছোয়াবের আশায় কুরবানী করবে ওই জবাইকৃত পশু কুরবানী দাতার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হবে।" সুতরাং কোরবানির সকল ফজিলত সম্পর্কে জেনে প্রত্যক ধর্মপ্রাণ সামর্থ্যবান মুসলিমের উচিত কোরবানি ঈদ বা ঈদুল আযহার দিনে পশু কুরবানী করা। কেননা কুরবানী হলো আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম ধর্মীয় বিধান।
আরও পড়ুনঃ ২০২৬ সালের রোজার সময়সূচি - ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর কত তারিখ
কোরবানির কাদের উপর ওয়াজিব
প্রত্যক প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন মুসলিম নরনারী যে কোরবানির দিনগুলোতে ১০ জিলহজ্জ ফজর থেকে ১২ই জিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকবে তার উপর কোরবানি ওয়াজিব। নিসাব পরিমাণ সম্পদ বলতে প্রয়োজন পূরণের পরে যদি অতিরিক্ত সম্পদ হিসেবে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বারো ভরি রুপা অথবা সমমূল্যের অর্থ যদি কারো কাছে থাকে তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।
এ পরিমাণ সম্পদ এক বছর যাবৎ থাকতে হবে এমনটি নয়। যদি ১০ জুলহজ ফজর থেকে ১২ ই জিলহজ সূর্যাস্তের মধ্য এ সম্পদের মালিক হয় তাহলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব। যদি কোন নারী এই সময়ের মধ্যে বিবাহ হয় এবং সে তার স্বামীর কাছ থেকে মোহর হিসেবে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয় তাহলে তার ওপরেও কোরবানি ওয়াজিব।
কারো কাছে নিসাব পরিমাণ আছে কিন্তু সে যদি পাগল হয়ে থাকে তাহলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব নয়। মুসাফিরের উপর কোরবানি ওয়াজিব নয়। যদি কারো ওপর কোরবানি ওয়াজিব না হয়ে থাকে কিন্তু সে যদি কোরবানির ফজিলত বিবেচনা করে কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে তাহলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হয়ে যায়।
যদি কারো ওপর কুরবানী ওয়াজিব হয়ে যায় কিন্তু কোন কারণবশত কোরবানি না করে তাহলে কুরবানির দিনগুলো চলে যাওয়ার পর একটি বকরির মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। সুতরাং কোরবানির কাদের উপর ওয়াজিব এটি সঠিক ভাবে জেনে যাদের ওপর কুরবানী ওয়াজিব তাদের কোরবানি করাটা অত্যন্ত জরুরি।
কোন ধরনের পশু কোরবানি করা যায়
কোন ধরনের পশু কুরবানী করা যায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা পশু কোরবানির
আগে অবশ্যই কোন ধরনের পশু কুরবানী করা যাবে সেটা জেনে রাখাটা জরুরী। যে ধরনের পশু
কোরবানি করা জরুরী তাহলেঃ
- কুরবানীর পশু হিসেবে ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, গরু, মহেশ, উট কে নির্বাচন করতে হবে।
- কুরবানির পশু হিসেবে উটের বয়স পাঁচ বছর, গরু ও মহিষের বয়স দুই বছর,ছাগল ও ভেড়ার বয়স এক বছর হতে হবে।
- দুম্বা ও ভেড়ার বয়স এক বছর না হলেও যদি দেখতে এক বছরের পশুর মত মনে হয় তাহলে তা দিয়ে কুরবানী করা জায়েজ আছে।
- ছাগলের বয়স এক বছর না হলে কোন ভাবে তাদের কোরবানি করা জায়েজ নয়।
- কোরবানির পশু অবশ্যই শারীরিক ত্রুটিমুক্ত হতে হবে।
- দেখতে সুন্দর হৃষ্টপুষ্ট, ত্রুটি মুক্ত ও গুণগত দিক দিয়ে উত্তম পশু দিয়ে কুরবানী করতে হবে।
- অন্ধ রোগা আহত পশু দ্বারা কুরবানী করা জায়েজ নয়।
হজ ও কোরবানির সম্পর্ক
হজ ও কোরবানির মধ্য গভীর ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। হজ মুসলমানদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত যা জিলহজ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। আবার কুরবানী বা ঈদুল আযহা ও জিলহজ মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। হজের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কুরবানী করা। যা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করা হয়।
হজ পালনকারীরা সৌদি আরবের পবিত্র স্থান মিনাতে গিয়ে কুরবানী করে থাকেন।
হজ্জ পালন করা ও কুরবানী করার মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের গভীর আল্লাহ ভীতি ও
আত্মত্যাগের প্রকাশ ঘটে। সুতরাং হজ ও কোরবানির মধ্য গভীর সম্পর্ক রয়েছে। হজ
ও কুরবানী মানুষের মাঝে ত্যাগ, আনুগত্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা
মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ তারাবির নামাজ সুন্নত না নফল-তারাবির নামাজ পড়া কি বাধ্যতামূলক
FAQ: বহু জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে?
উত্তরঃ ২০২৬ সালের কোরবানি ঈদ সম্ভবত ২৭ মে বুধবার অনুষ্ঠিত হবে তবে এটা চাঁদ
দেখার উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্নঃ হিজরী সালের কত তারিখে কোরবানির ঈদ পালিত হয়?
উত্তরঃ হিজরী সালের ১০ জিলহজ কোরবানি ঈদ পালিত হয়।
প্রশ্নঃ কোরবানি ঈদ কাদের উপর ওয়াজিব?
উত্তরঃ প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নরনারী নিসাব
পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে তার ওপর কুরবানী ওয়াজিব।
প্রশ্নঃ কোরবানি কেন করা হয়?
উত্তরঃ কোরবানি মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয় এটি হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ)এর ত্যাগের স্মরণে পালন করা হয়।
প্রশ্নঃ কোরবানি কতদিন করা যায়?
উত্তরঃ ঈদের দিনসহ মোট তিন দিন কোরবানি করা যায় ১০,১১ ও ১২ জিলহজ।
শেষ কথাঃ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে ও কোরবানি কতটা ফজিলতপূর্ণ সে সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা এই আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়লে কোরবানির ঈদ কত তারিখে ২০২৬ সালের তা বিস্তারিত জানতে পারবেন। ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদ ২৭ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তবে এটি চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।
কোরবানির শুধু একটি উৎসব নয় এটি আমাদেরকে ত্যাগ আনুগত্য ও মানবতার শিক্ষা দেয়। তাই আমরা শুধু পশু জবাই না করে আমাদের ভেতরের অহংকার লোভ ও স্বার্থপরতাকে যেন কুরবানি করি। কোরবানির ঈদের তারিখটা যদি আগে থেকে জানা থাকে তাহলে সঠিকভাবে কোরবানি প্রস্তুতি নিয়ে কুরবানী আরো সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপন করতে পারবে। আজকের আমার আর্টিকেলটি এখানে শেষ করছি। যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা করবেন। এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url