শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জানুন
আপনারা যদি শীতকালীন শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমার আজকের এই আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। এই আর্টিকেলে শীতকালীন শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব।
শীতকাল মানেই বাহারি রকমের শাক-সবজির সমারহ। বাংলাদেশের বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন শাক-সবজি পাওয়া গেলেও শীতকাল শাক- সবজির জন্য শ্রেষ্ঠ। এ সময়ের শাক-সবজি স্বাদে যেমন অনন্য তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। শীতকালে শাক সবজির অধিক উৎপাদনের ফলে দাম থাকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- শীতকালীন সবজি ফুলকপির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- বাঁধাকপির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- টমেটোর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- শিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা
- গাজরের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- লাল শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- সরিষা শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- মুলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- মুলা শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- পালং শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- লাউয়ের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- ব্রকলির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- ধনে পাতার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- বরবটির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- বিটরুটের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
- FAQ: বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথাঃ শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শাক-সবজির জন্য সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যে ঋতু তা হচ্ছে শীতকাল। এই সময় অনেক ধরনের শাক-সবজি পাওয়া যায়। এই সবজিগুলো স্বাদে যেমন অতুলনীয় তেমনি পুষ্টি ও উপকারিতায় ভরপুর।বাংলাদেশের অন্যান্য ঋতুগুলোতেও কৃষকরা শীতকালীন সবজি চাষ করার চেষ্টা করে থাকে কিন্তু শীতকালীন শাক-সবজি যতটা টাটকা, দেখতে অনেক সুন্দর ও খেতে মজা লাগে তেমন অন্যান্য ঋতুর উৎপাদিত শাক-সবজিগুলোতে পাওয়া যায় না।
শীতকালীন প্রতিটি শাক-সবজিতে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা ও চুল, ত্বক ভালো রাখার আলাদা আলাদা ভূমিকা। শীতকালীন কিছু কিছু শাক-সবজিতে রয়েছে প্রচুর পানি যা শরীরের পানি শূন্যতা পূরণ করে থাকে। এছাড়াও শীতকালীন শাক-সবজিতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার প্রভৃতি পুষ্টিগুণ। চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
শীতকালীন সবজি ফুলকপির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনায় এখন আলোচনা
করব শীতকালীন সবজি ফুলকপি নিয়ে। শীতকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরিচিত সবজি হল
ফুলকপি। বড় বড় পাতার মাঝখানে গোল ফোলাকৃতির সবজি ফুলকপি দেখতে যেমন সুন্দর
খেতেও অনেক সুস্বাদু। বৃদ্ধ থেকে শুরু করে গর্ভবতী মা, বাড়ন্ত শিশুদের জন্য
ফুলকপি খুবই স্বাস্থ্যকর একটি সবজি। মাছ মুরগির মাংস অথবা নিরামিষ সবকিছুতে
পারফেক্ট একটি সবজি হচ্ছে ফুলকপি এছাড়া ফুলকপি দিয়ে সিঙ্গারা,পুরি,পাকোড়া, চপ
প্রভৃতি তৈরি করে খাওয়া যায়।
ফুলকপির পুষ্টিগুণঃ ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন এ,বি,সি ও কে, ক্যালসিয়াম,আয়রন,পটাশিয়াম, ফসফরাস,ফাইবার,সামান্য পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন।
ফুলকপির উপকারিতাঃ ফুলকপিতে রয়েছে অনেক উপকারিতা নিম্নে তা তুলে ধরা হলো।
- ফুলকপি রয়েছে প্রচুর আয়রন যা রক্তস্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
- ফুলকপি থাকা ক্যালসিয়াম হার ও দাঁতের জন্য খুবই উপযোগী।
- ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি যা শীতকালীন সর্দি, কাশি, জ্বর ও টনসিলের জন্য খুবই উপযোগী।
- ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী।
- ফুলকপি পাকস্থলী মূত্র থলি স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ফুলকপি তে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে।
- ফুলকপি ওজন কমাতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।
বাঁধাকপির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
পাতার পরতে পরতে সাজানো সবজির নাম হচ্ছে বাঁধাকপি বা অনেকে পাতাকপি ও বলে থাকেন। শীতকালের আরেকটি জনপ্রিয় ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি হচ্ছে বাঁধাকপি। স্বাস্থ্যের জন্য এটি অনেক উপকারী। পাতাকপি দিয়ে ভাজি, ভর্তা, চচ্চড়ি, পাকোড়া প্রভৃতি খাওয়া যায়। শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনায় এখন জেনে নেওয়া যাক বাঁধাকপির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা গুলো কি কি।
বাঁধাকপির পুষ্টিগুণঃ বাঁধাকপি তে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন
বি, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফসফরাস, ফাইবার, রিবোফ্লাভিন, থায়ামিন, বিটা
ক্যারোটিন, এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
বাঁধাকপির উপকারিতাঃ বাঁধাকপির উপকারিতা নিচে তুলে ধরা হলো।
বাঁধাকপিতে থাকা ফাইবার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হজমের সমস্যা দূর করতে ও
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
- বাঁধাকপিতে থাকা প্রচুর বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
- বাঁধাকপিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন সি যা হাড় গঠনে সাহায্য করে।
- বাঁধাকপি আলসার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পানি যা পানি স্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
- বাধাকপিতে থাকা অ্যান্টক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- বাঁধাকপিতে থাকা পুষ্টিগুণ ত্বক ও চুলের জন্য খুব উপকারী।
টমেটোর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
গোল আকৃতির সবজি টমেটো এর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক। টমেটো কাঁচা ও পাকা দুই
অবস্থাতেই সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। সালাত হিসেবে টমেটো খুবই জনপ্রিয়।
এছাড়াও টমেটো ভর্তা,চচ্চড়ি,মাছ অথবা মাংসের সাথে খাওয়া যায়। শীতকালীন ১৫টি
শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনায় এখন জানবো আমরা টমেটোর
পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।
টমেটোর পুষ্টিগুণঃ টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই,
ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, লাইকোপেন, পটাশিয়াম, থায়ামিন প্রভৃতি
পুষ্টিগুণ
টমেটোর উপকারিতাঃ টমেটোর উপকারিতা তুলে ধরা হলো।
- টমেটোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- টমেটোতে থাকা ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করতে সাহায্য করে।
- ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে টমেটো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- টমেটোতে থাকা ফাইভার হজম শক্তি বাড়াতে ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
- টমেটোতে থাকা লাইকোপেন ক্যান্সার সেল তৈরিতে বাধা দান করে আর কে মজবুত করে শরীরে ক্ষয় রোধ করে ও দাঁতের গোড়া মজবুত করে।
- টমেটো ত্বক ও চুলের যত্নে বেশ কার্যকরী।
- টমেটোতে থাকা থায়ামিন হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে।
- টমেটো রক্তস্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
- গর্ভবতী মা ও সদ্যোজত শিশুর মায়ের জন্য টমেটো খুবই উপকারী কারণ এটি শারীরিক ও মানসিক শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
শিমের পুষ্টিগুণ উপকারিতা
শীতের আরেকটি আকর্ষণীয় ও সুস্বাদু সবজি হচ্ছে শিম। শিম কমবেশি সবার পছন্দ
করে থাকে। এটি একটি উচ্চ প্রোটিনযুক্ত সবজি। শীতকালে এসব যে অহরহ
পাওয়া যায়। দামটাও থাকে ক্রয়ক্ষমতার নাগালে। তাই প্রোটিনের চাহিদা পূরণে
শিম অনেক বেশি উপকারী। শিম দিয়ে ভাজি, ভর্তা ও বিভিন্ন রকমের তরকারি
রান্না করে খাওয়া যায়।
শিমের পুষ্টিগুণঃ শিম রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার,
ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ফলেট, শর্করা, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, কপার,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পানি প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
শিমের উপকারিতাঃ শিমের উপকারিতা নিচে তুলে ধরা হলো।
- শিম থাকা ফাইবার হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
- শিম কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- শিম কলেস্টরলের মাত্রা ঠিক রাখে ও রোগ প্রতিরোধ করে।
- শিম শিশুদের অপুষ্টি দূর করে।
- শীতের শুষ্কতায় শিম আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে।
- শিমে থাকা সিলিকন হাড়কে মজবুত করে।
- যারা মাছ মাংস খান না তারা প্রোটিনের চাহিদা পূরণে শিমের বিচি খেতে পারেন এতে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে।
- শিম চুল পড়া বন্ধ করে ও ত্বককে ভালো রাখে।
গাজরের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালীন ১৫টি শাক-সবজির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনায় এখন আলোচনা করব আকর্ষণীয় দেখতে সুন্দর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু একটি সবজি গাজর নিয়ে। গাজর দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও অনেক সুস্বাদু। গাজর কাঁচা এবং রান্না করে উভয় ভাবে খাওয়া যায়। গাজর সালাত হিসেবে অনেক বিখ্যাত। গাজর খাবার পরিবেশনে সময় ডেকোরেশনের ক্ষেত্রে অনেক কার্যকরী।
গাজরের পুষ্টিগুণঃ গাজরে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ফাইবার, শর্করা, এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
গাজরের উপকারিতাঃ গাজরের উপকারিতা তুলে ধরা হলো।
- গাজরের রয়েছে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
- গাজরের রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
- গাজর স্তন, কোলন ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
- গাজরের রঞ্জক পদার্থ ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
- গাজর রয়েছে ভিটামিন এ যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি ও রাতকানা রোগের ঝুঁকি কমায়।
- গাজরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- হার্টকে সুস্থ রাখতে কোলেস্টরেল ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে গাজর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- গাজরে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ও ফাইবার থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে।
লাল শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
লাল পাতা বিশিষ্ট শাকের নাম হচ্ছে লাল শাক। লাল শাক দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও
অত্যান্ত সুস্বাদু। এই শাক ছোট বড় সকলের খুব প্রিয়। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা লাল
শাক দিয়ে ভাত লাল করে খেতে খুব পছন্দ করে। চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে লাল শাকের
পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা জেনে নেই।
লাল শাকের পুষ্টিগুণঃ লাল শাকে রয়েছে ভিটামিন এ, বি , সি আয়রন,
ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম পটাশিয়াম,ফসফরাস প্রভৃতি।
লাল শাকের উপকারিতাঃ লাল শাকের উপকারিতা গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
- লাল শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যার রক্তস্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
- লাল শাকে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা হজম শক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
- লালশাকে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদান ক্যান্সারের কোষ বিকাশে বাধা প্রদান করে থাকে।
- লাল শাকে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা হার গঠনে সাহায্য করে।
- লাল শাকের ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
- লাল শাক হার্টকে ভালো রাখে ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
- লাল শাক ডায়াবেটিস রোগী ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুব উপকারী।
সরিষা শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালে সবজির যেমন সমারোহ তেমনি শাকের ও রয়েছে বাহারি সমারোহ। সরিষা শাক
শীতকালের একটি অতি পরিচিত শাক। কিছুটা তিতা স্বাদ যুক্ত সরিষা শাক যদিও সকলে
পছন্দ করেন না। কিন্তু শাক পুষ্টিগুণে ভরপুর ও এর রয়েছে অনেক উপকারিতা। চলুন
তাহলে জেনে নেওয়া যাক সরিষা শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।
আরও পড়ুনঃ পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করার ঘরোয়া উপায়
সরিষা শাকের পুষ্টিগুণঃ সরিষা শাকে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন, জিংক, ফাইবার, কে, আয়রন, জিংক, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
সরিষা শাকের উপকারিতাঃ সরিষা শাকের উপকারিতা গুলো নিচে তুলে ধরা
হলো।
- সরিষার শাকে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
- সরিষা শাকে রয়েছে ভিটামিন কি যা হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে।
- সরিষা শাকে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
- সরিষার শাকে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- সরিষার শাক ক্যান্সারের কোষের সাথে লড়াই করে ও টিউমার গঠন প্রতিরোধ করে।
- সরিষা শাক রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়
- সরিষা শাক শরীরকে উষ্ণ রাখে।
-
সরিষা শাক শরীরের দূষিত পদার্থ দ্রুত বের করে দিতে সাহায্য করে।
মুলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালের অতি পরিচিত একটি সবজি হচ্ছে মূলা। ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত হওয়াই মুলা খেতে অনিকে পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা। মুলা তরকারি ও সালাত হিসেবে খাওয়া যায়। মুলা দুই ধরনের হয়ে থাকে। লাল ও সাদা। দু ধরনের মূলাতে সমপরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে।
মুলার পুষ্টিগুণঃমুলাতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি৬, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনানিস, পটাশিয়াম, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
মুলার উপকারিতাঃ মূলার উপকারিতা গুলো তুলে ধরা হলো।
- মুলাতে রয়েছে ফাইবার যা হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
- মুলাতে রয়েছে আয়রন যা রক্তস্বল্পতা পূরণ করে।
- মুলাতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখে।
- মুলা রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে ফলে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- মুলাতে রয়েছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- মুলা রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে।
- মুলাতে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় মুলা খেলে শরীর আর্দ্র থাকে।
মুলা শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতের আরেকটি পরিচিত শাকের নাম হচ্ছে মুলা শাক। তেতো স্বাদ যুক্ত হওয়ায় এই শাক
অনেকে পছন্দ করেন না। এ শাকের পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও অনেকে জানেন না। মুলা
শাকে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা।
মুলা শাকের পুষ্টিগুণঃ মুলা শাকে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম,ফোলেট প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
মুলা শাকের উপকারিতাঃ মুলা শাকের উপকারিতা গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
- মুলা শাকে রয়েছে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও পাইলসের কষ্ট নিরাময় করে।
- মুলা শাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর হয়।
- মুলা শাক রক্ত পরিষ্কার রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করে।
- মুলা শাক রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
- মুলা শাক শরীরে মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- মুলা শাক রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- মুলা শাক ওজন কমাতে সাহায্য করে।
- মুলা শাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
পালং শাকের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
পালং শাক শীতকালের অতি পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি শাক। শীতে পালং শাক অহরহ পাওয়া
যায় বলে দামটাও অনেক কম থাকে। পালং শাক পুষ্টিগুণে যেমন ভরপুর তেমনি
খেতেও সুস্বাদু। পালং শাক দিয়ে ভাজি, ঝোল, চচ্চড়ি প্রভৃতি রান্না করে
খাওয়া যায়। পালং শাক এ রয়েছে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা।
পালং শাকের পুষ্টিগুণঃ পালং শাকে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ,
ভিটামিন সি, থায়ামিন, সোডিয়াম, ক্লোরিন, ফসফরাস, প্রোটিন প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
পালং শাকের উপকারিতাঃ পালং শাকের উপকারিতা তুলে ধরা হলো।
- পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন এ যা চোখকে ভালো রাখে।
- পালং শাকে থাকা ক্যারোটিন ও ক্লোরোফিল ক্যান্সারের রোগী কমায়।
- পালং শাক কিডনিতে পাথর থাকলে তা গুঁড়ো করতে সাহায্য করে।
- পালংশাকে থাকা আয়রন রক্তস্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
- পালং শাকে থাকা ফাইবার হজম শক্তি উন্নত করে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
- পালং শাক রক্তে শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে যা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য খুবই ভালো।
- পালং শাক স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী।
- পালং শাকের রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস যা মাসিক জনিত সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ।
লাউয়ের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
লাউ অতি পরিচিত একটি সুস্বাদু সবজি। লাউ শীতকালীন সবজি হলেও এটি প্রায় সারা বছরই
পাওয়া যায়। অন্যান্য সবজির প্রতি অনেকের অনীহা থাকলেও লাউ ছোট বড় সকলেরই একটি
পছন্দের সবজি। লাউয়ের রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতার দিক
দিয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রিয় সবজি ছিল
লাউ। বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে থাকতে চাইলে আপনাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়
লাউ রাখতে পারেন।
লাউয়ের পুষ্টিগুণঃ লাউয়ের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন বি,
ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, ফোলেট
প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
লাউ এর উপকারিতাঃ লাউয়ের উপকারিতা গুলো তুলে ধরা হলো।
- লাউয়ের পানির পরিমাণ বেশি থাকে ফলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- লাউএ কোলেস্টরলের মাত্রা শূন্য ফলে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
- গরমে লাউ খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। ঘুম ভালো হয়।
- নিয়মিত লাউ খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- লাউ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে।
- লাউ ত্বককে ভালো রাখে। ত্বকে ব্রণ উঠার সমস্যা, ত্বকের তৈলাক্ততা ভাব কমাতে লাউ খুবই কার্যকরী।
- ওজন কমাতে লাউ খুবই কার্যকরী সবজি।
ব্রকলির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালীন সবজির মধ্যে ব্রকলি একটি উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবজি। কয়েক বছর
আগেও ব্রকলি কে অনেকেই চিনত না। এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্রকলি চাষ করা
হচ্ছে। এটি অনেকটা ফুলকপির মত কিন্তু এটি দেখতে সবুজ। এটি দেখতে যেমন সুন্দর
খেতেও সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুনেও অসাধারণ। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ব্রকলির
পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে।
ব্রকলির পুষ্টিগুণঃ ব্রকলি তে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, আয়রন, পটাশিয়াম, ফাইবার, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
ব্রকলির উপকারিতাঃ ব্রকলির উপকারিতা গুলো হল।
- ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও হজমে সাহায্য করে।
- ব্রকলিতে ফাইবার ও পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি খেলে ক্ষুধা কম লাগে যার ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- ব্রকলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- ব্রকলিতে থাকা ভিটামিন কে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে ও অস্টিওপোরসিসে আক্রান্ত রোগীদের হাড় ভাঙ্গন প্রতিরোধ করে।
- ব্রকলি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
- ব্রকলি ত্বককে ভালো রাখে।
ধনে পাতার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
ধনেপাতা একটি সুস্বাদু মসলা জাতীয় উদ্ভিদ। এটি শীতকালীন উদ্ভিদ হলেও এখন
প্রায় সারা বছরই ধনেপাতা পাওয়া যায়। ধনেপাতা খাবার কে সুস্বাদু করে তোলে।
খাবার ডেকোরেশন এর ক্ষেত্রে ধনেপাতা অন্যতম। শুধু খাবার ডেকোরেশন বা
সুগন্ধের জন্য নয় ধনেপাতা পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতার দিক দিয়েও
অসাধারণ।
ধনেপাতার পুষ্টিগুণঃ ধনে পাতাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন
সি, ভিটামিন কে, থায়ামিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস
প্রভৃতি পুষ্টিগুণ।
ধনেপাতার উপকারিতাঃ ধনেপাতার উপকারিতা গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
- ধনেপাতা তে থাকা ভিটামিন এ চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।
- ধনেপাতার ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও ত্বককে ভালো রাখে।
- ধনেপাতা রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা হজম শক্তিকে উন্নত করে।
- ধনেপাতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- ধনেপাতা রক্ত কোলেস্টরলের মাত্র ঠিক রাখে।
- মুখে দুর্গন্ধ থাকলে ধনেপাতা মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
- ধনে পাতা চিবিয়ে খেলে দাঁতের মাড়ি মজবুত হয় ও দাঁতে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।
- ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন এর মাত্রা ঠিক রাখে ও রক্তে সুগারেরমাত্রা কমায়।
- ধনেপাতা তে থাকা আয়রন রক্তস্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
বরবটির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
শীতকালীন সবজির মধ্য বরবটি একটি অতি পরিচিত সবজি। দেখতে লম্বা আকৃতির সবুজ সবজিটি
হচ্ছে বরবটি। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনে পুষ্টিগুণে অতুলনীয় রয়েছে অনেক
স্বাস্থ্য উপকারিতা।
বরবটির পুষ্টিগুণঃ বরবটিতে রয়েছে ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি২ ক্যালসিয়াম,
আয়রন, ফাইবার, এন্টিঅক্সিডেন্ট, রিবোফ্লাভিন, থায়ামিন, প্রোটিন, অল্প পরিমানে
ভিটামিন সি প্রভৃতি গুণাবলী।
বরবটির উপকারিতাঃ বরবটির উপকারিতা গুলো তুলে ধরা হলো।
- বরবটিতে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও গ্যাস্টিকের সমস্যা দূর করে।
- বরবটি কম ক্যালোরিযুক্ত ও ফাইবার যুক্ত হওয়ায় এটি চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
- বরবটি সাহায্য কর ক্যান্সার প্রতিরোধে।
- বরবটিতে প্রচুর আয়রন রয়েছে যা আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে।
- বরবটি হার্টের সুরক্ষা দেয়।
- বরবটিতে থাকা সিলিকন হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে ও হার শক্ত করতে সাহায্য করে।
বিটরুটের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
গারো গোলাপি ও লালচে রঙের সবজিটি হচ্ছে বিটরুট। এ সবজি এখনো সব জায়গাতে দেখা
যায় না। এটি শীতকালীন সবজি হলেও বছরের প্রায় সবসময় পাওয়া যায়। বিট রুটের
গন্ধের কারণে অনেকে একটি পছন্দ করেননা। তবে রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য
উপকারিতা। চলুন জেনে নেই বিট রুটের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
সম্পর্কে।
বিটরুটের পুষ্টিগুণঃ বিটরুটে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি,
ভিটামিন বি৬, ভিটামিন এ, আয়োডিন, জিংক, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভৃতি
পুষ্টিগুণ।
বিটরুটের উপকারিতাঃ বিটরুটের উপকারিতা গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
- বিটরুট বাতের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।
- বিটরুটে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা দ্রুত খাবার হজম করতে সাহায্য করে।
- বিটরুটি রয়েছে প্রচুর আয়রন রক্তস্বল্পতা পূরণে সাহায্য করে।
- বিটরুট ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি কমায়।
- বিটরুট রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ও রক্ত পরিষ্কার রাখে।
- বিটরুট ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- বিটরুটে থাকা বিটা ক্যারোটিন চোখের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে।
- বিটরুট মস্তিষ্ক ভালো রাখে ও শরীরে শক্তি যোগায়।

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url